
নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা, ৩১ মার্চ ২০২৬: দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বিদেশী কোম্পানির আধিপত্য এবং অসম চুক্তির কড়া সমালোচনা করেছেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। আজ 'জ্বালানি খাত সংস্কার এবং ক্যাবের ১৩ দফা দাবি' শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি বলেন, "চুক্তি সইয়ের সময় টেবিলের দুই পাশেই একই পক্ষের লোকজন বসা থাকে। ফলে বাংলাদেশ বিপুল সম্পদ ব্যয় করে ক্রমাগত পরনির্ভরশীলতার চক্রে আটকা পড়ছে।"
লবিং ও আমদানিনির্ভরতার সমালোচনা: আনু মুহাম্মদ অভিযোগ করেন, ২০১০ সালে জাইকা (JICA)-এর করা মাস্টারপ্ল্যান অনুযায়ী দেশ আমদানিনির্ভর জ্বালানি কাঠামোর দিকে ঝুঁকেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসও মার্কিন কোম্পানিগুলোর পক্ষে তেল-গ্যাস ব্লক ইজারা নিতে লবিং করেছিলেন। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট বৈশ্বিক তেল সংকটের প্রেক্ষাপটে তিনি নতুন নির্বাচিত সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
ক্যাবের ১৩ দফা ও প্রস্তাবনা: তিনি ক্যাবের ১৩ দফা দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে প্রাকৃতিক সম্পদের রফতানি নিষিদ্ধ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির দ্রুত প্রসারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। তিনি সেনানিবাসগুলোতে সৌর প্যানেল স্থাপন এবং উপকূলীয় অঞ্চলে বায়ু বিদ্যুৎ প্রকল্প গ্রহণের প্রস্তাব রাখেন। পাশাপাশি জ্বালানি খাতে 'ভিআইপি কালচার' বন্ধের পাশাপাশি অপচয় রোধে সরকারের কঠোর হস্তক্ষেপের আহ্বান জানান।
মন্তব্য করুন
সকল মন্তব্য (0)
এখনও কোনো মন্তব্য আসেনি। প্রথম মন্তব্যটি করুন।